১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফলাফলে সন্তুষ্ট নয় ২ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০
  • ৫ Time View

সদ্য প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট হতে পারেনি দেশের ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী।তাই খাতা চ্যালেঞ্জ করে পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করেছেন তারা। চ্যালেঞ্জ করা খাতার সংখ্যা মোট ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯১৯টি। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮৯৮টি, দাখিলের ২৮ হাজার ৪৮৪টি এবং এসএসসি ভোকেশনালের ১৭ হাজার ৫৩৭টি খাতা রয়েছে।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

৩১ মে ফল প্রকাশের পরের দিন ১ জুন থেকে গত ৭ জুন ছিল ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদনের সুযোগ। গত বছর ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদনের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৯১১টি। সে তুলনায় এ বছর ৮০ হাজারেরও বেশি আবেদন বেড়েছে। এ খাতে প্রতিবছর বোর্ডগুলো কোটি কোটি টাকা আয় করে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এ খাতে আয় হয়েছে ২ কোটি ৯৮ লাখ ৮ হাজার ৮৭৫ টাকা। পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা প্রতিটি বিষয়ে বোর্ডগুলো ১২৫ টাকা করে নেয়। শিক্ষার্থীরা ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করলেও নতুন করে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কোনও সুযোগ নেই। শুধুমাত্র পুনঃনিরীক্ষা করা হয়।

এ ব্যাপারে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এবার ২০ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ আবেদন করেছেন, এটা অস্বাভাবিক নয়। নিয়ম অনুযায়ী এসব খাতা নতুনভাবে নিরীক্ষা করা হবে। পুনঃনিরীক্ষণে দায়িত্বে অবহেলা চিহ্নিত হলে পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্তঃশিক্ষা শিক্ষা বোর্ডের তথ্যমতে, এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ৫৯ হাজার ৭৯০ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ২০ হাজার ৫৫০ জন, রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার ৪১৩ জন, বরিশাল বোর্ডে ১০ হাজার ৫০ জন, সিলেট বোর্ডে ১১ হাজার ৮৭৪ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ১৭ হাজার ৬৭৭ জন,দিনাজপুর বোর্ডে ১৭ হাজার ৮৮৭ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৩১ হাজার ৩৩১টি আবেদন, মাদ্রাসা বোর্ডে ১৪ হাজার ৭০৭ জন ও কারিগরি বোর্ডে ১৭ হাজার ৫৩৭টি আবেদন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এমআই

Tag :
About Author Information

ফলাফলে সন্তুষ্ট নয় ২ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী

Update Time : ০৫:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

সদ্য প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট হতে পারেনি দেশের ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী।তাই খাতা চ্যালেঞ্জ করে পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করেছেন তারা। চ্যালেঞ্জ করা খাতার সংখ্যা মোট ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯১৯টি। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮৯৮টি, দাখিলের ২৮ হাজার ৪৮৪টি এবং এসএসসি ভোকেশনালের ১৭ হাজার ৫৩৭টি খাতা রয়েছে।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

৩১ মে ফল প্রকাশের পরের দিন ১ জুন থেকে গত ৭ জুন ছিল ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদনের সুযোগ। গত বছর ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদনের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৯১১টি। সে তুলনায় এ বছর ৮০ হাজারেরও বেশি আবেদন বেড়েছে। এ খাতে প্রতিবছর বোর্ডগুলো কোটি কোটি টাকা আয় করে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এ খাতে আয় হয়েছে ২ কোটি ৯৮ লাখ ৮ হাজার ৮৭৫ টাকা। পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা প্রতিটি বিষয়ে বোর্ডগুলো ১২৫ টাকা করে নেয়। শিক্ষার্থীরা ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করলেও নতুন করে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কোনও সুযোগ নেই। শুধুমাত্র পুনঃনিরীক্ষা করা হয়।

এ ব্যাপারে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এবার ২০ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ আবেদন করেছেন, এটা অস্বাভাবিক নয়। নিয়ম অনুযায়ী এসব খাতা নতুনভাবে নিরীক্ষা করা হবে। পুনঃনিরীক্ষণে দায়িত্বে অবহেলা চিহ্নিত হলে পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্তঃশিক্ষা শিক্ষা বোর্ডের তথ্যমতে, এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ৫৯ হাজার ৭৯০ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ২০ হাজার ৫৫০ জন, রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার ৪১৩ জন, বরিশাল বোর্ডে ১০ হাজার ৫০ জন, সিলেট বোর্ডে ১১ হাজার ৮৭৪ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ১৭ হাজার ৬৭৭ জন,দিনাজপুর বোর্ডে ১৭ হাজার ৮৮৭ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৩১ হাজার ৩৩১টি আবেদন, মাদ্রাসা বোর্ডে ১৪ হাজার ৭০৭ জন ও কারিগরি বোর্ডে ১৭ হাজার ৫৩৭টি আবেদন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এমআই