০১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গরিব আসামিদের পরিবারকে খাদ্য সহায়তা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০
  • ৬ Time View

বরিশালে কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থানরত বিচারাধীন মামলার আসামিদের অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের নির্দেশে বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর কালিবাড়ি রোড়ে সমাজসেবা দফতর থেকে অর্ধশত আসামির পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও সুরভী নেভিগেশনের সহায়তায় প্রতিটি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু, আটা ও তেল দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আল মামুন তালুকদার, সহকারী পরিচালক সহিদুল ইসলাম।

প্রবেশন কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ জানান, কারাগারে অসংখ্য অপরাধী বিচারাধীন রয়েছেন। তাদের পরিবারগুলো করোনার আঘাতে ইতোমধ্যেই কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জেলে থাকায় তারা অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। রোজগার না থাকায় অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে মানুষগুলো। বিষয়টি জেলা প্রশাসক জানতে পেরে কারাগারে থাকা আসামিদের পরিবারের খাদ্য সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

তার নির্দেশ মোতাবেক সরকারি এবং বিভিন্ন ব্যক্তির দেওয়া সাহায্যের মাধ্যমে অর্ধশত আসামির পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কারাগারে অবস্থানরত যে সব আসামিদের পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন তাদের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

Tag :
About Author Information

গরিব আসামিদের পরিবারকে খাদ্য সহায়তা

Update Time : ০৫:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

বরিশালে কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থানরত বিচারাধীন মামলার আসামিদের অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের নির্দেশে বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর কালিবাড়ি রোড়ে সমাজসেবা দফতর থেকে অর্ধশত আসামির পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও সুরভী নেভিগেশনের সহায়তায় প্রতিটি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু, আটা ও তেল দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আল মামুন তালুকদার, সহকারী পরিচালক সহিদুল ইসলাম।

প্রবেশন কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ জানান, কারাগারে অসংখ্য অপরাধী বিচারাধীন রয়েছেন। তাদের পরিবারগুলো করোনার আঘাতে ইতোমধ্যেই কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জেলে থাকায় তারা অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। রোজগার না থাকায় অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে মানুষগুলো। বিষয়টি জেলা প্রশাসক জানতে পেরে কারাগারে থাকা আসামিদের পরিবারের খাদ্য সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

তার নির্দেশ মোতাবেক সরকারি এবং বিভিন্ন ব্যক্তির দেওয়া সাহায্যের মাধ্যমে অর্ধশত আসামির পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কারাগারে অবস্থানরত যে সব আসামিদের পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন তাদের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।