
ইদানিং রিপোর্টঃ- প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, ‘ভাঙ্গা দিয়ে ২১ জেলা মানুষ যাতায়াত করে, সেখানে ট্রমা সেন্টার নেই। সেটা জাতির জন্য একটি ট্রমার বিষয়! এ অঞ্চলে মানুষের জন্য বিগত সরকারের সময়ে কর্মসংস্থানের কোন ব্যবস্থা করা হয় নাই। কিন্তু উন্নয়নের বয়ান জারি রাখা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
“বৃহত্তর ফরিদপুরে বেকারত্বের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, এমনকি গোপালগঞ্জ জেলাসহ” – মন্তব্য করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, অথচ উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। তারমানে এখানে লুটপাটতন্ত্র জারি ছিল। ‘ তিনি গোপালগঞ্জ সম্পর্কে বলেন, ‘ গোপালগঞ্জে গিয়ে দেখেছি বড় বড় অট্টালিকা আছে, কিন্তু সেখানে মানুষ নেই। ওইখানে একটি ট্রমা সেন্টার রয়েছে, সেখানে মানুষ নাই, ডাক্তার নাই, অথচ অট্টালিকা বানিয়ে রেখেছে।’ বাংলাদেশে এমন একটা অর্থনীতি আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, তা এতই ভঙ্গুর যে, পৃথিবীতে ঋণ খেলাপিদের শীর্ষে অবস্থান করছি। মন্তব্য করে রাশেদ আল মাহমুদ বলেন,বাংলাদেশ আজকে কী পরিস্থিতির মধ্যে বর্তমান সরকারকে আপনারা দায়িত্বভার দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন? শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার সময় আমরা লক্ষ করেছি এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে উত্তরণ ঘটানোর একমাত্র উদাহরণ বিএনপি। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন,’ স্বাধীনতা উত্তর কালে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনীতি একটি দুর্ভিক্ষ আক্রান্ত অর্থনীতি একটি বড় আকারের মূল্যস্ফীতি, আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সংকট, সে পরিস্থিতিতে দেশে নতুন আয়ের ঠিকানা খোঁজেন শহীদ জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটানোর জন্য তিনি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কর্মসংস্থানের ঠিকানা করেন। নতুন আয়ের উৎস অর্থাৎ রেমিটেন্স।’ তিনি খালেদা জিয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ নারীর আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণের প্রথম যাত্রা শুরু করেন খালেদা জিয়া। নারীর অংশগ্রহণে পোশাকশিল্পে বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে জায়গা পায়। ‘ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ অর্থাৎ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা অর্থাৎ নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি।’
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ফরিদপুর- ৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের এমপি ও জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদ মুন্সী, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বিটু মুন্সী, ভাঙ্গা উপজেলা যুবদলের সভাপতি ওসমান মুন্সী প্রমুখ।