Faridpur ০৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরে মানব পাচার মামলায় যাবজ্জীবন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ Time View

ইদানিং রিপোর্টঃ- ফরিদপুরে স্ত্রীকে ভারতে পাচারের মামলায় জাহিদ শেখ (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা মানব পাচার, অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে আলফাডাঙ্গার এক নারীর সঙ্গে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার এক যুবকের বিয়ে হয়। কয়েক মাস পর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরে ওই নারীর সঙ্গে জাহিদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জাহিদ পোশাক কারখানায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যান এবং পরে বিয়ে করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের পর তাকে ভারতের কেরালায় পাচার করে দেওয়া হয়। সেখানে কেরালা পুলিশ ওই নারীকে আটক করে। পরে আইনজীবীর সহায়তায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এ ঘটনায় ওই নারীর মা বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ৫ মার্চ জাহিদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মানব পাচারের মামলা করেন। তদন্ত শেষে আলফাডাঙ্গা থানার এসআই মো.কামরুজ্জামান ছয় আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আদালত একই আইনের অপর একটি ধারায় জাহিদকে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। তবে দুই সাজা একসঙ্গে ভোগ করবেন তিনি। মামলার অপর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

MD AKTAR UZZAMAN

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে মানব পাচার মামলায় যাবজ্জীবন

Update Time : ০৩:২২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইদানিং রিপোর্টঃ- ফরিদপুরে স্ত্রীকে ভারতে পাচারের মামলায় জাহিদ শেখ (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা মানব পাচার, অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে আলফাডাঙ্গার এক নারীর সঙ্গে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার এক যুবকের বিয়ে হয়। কয়েক মাস পর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরে ওই নারীর সঙ্গে জাহিদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জাহিদ পোশাক কারখানায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যান এবং পরে বিয়ে করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের পর তাকে ভারতের কেরালায় পাচার করে দেওয়া হয়। সেখানে কেরালা পুলিশ ওই নারীকে আটক করে। পরে আইনজীবীর সহায়তায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এ ঘটনায় ওই নারীর মা বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ৫ মার্চ জাহিদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মানব পাচারের মামলা করেন। তদন্ত শেষে আলফাডাঙ্গা থানার এসআই মো.কামরুজ্জামান ছয় আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আদালত একই আইনের অপর একটি ধারায় জাহিদকে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। তবে দুই সাজা একসঙ্গে ভোগ করবেন তিনি। মামলার অপর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।